Close Menu
    What's Hot

    পুশ-ইন বন্ধে বাংলাদেশ–ভারতকে আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘের

    19 June, 2026

    লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা

    19 June, 2026

    বাজেটে অভিযোজন খাতে জলবায়ু ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ বরাদ্দ

    19 June, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • পুশ-ইন বন্ধে বাংলাদেশ–ভারতকে আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘের
    • লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা
    • বাজেটে অভিযোজন খাতে জলবায়ু ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ বরাদ্দ
    • সমতায় বাঁচল দক্ষিণ আফ্রিকা, বিশ্বকাপে টিকে থাকার আশা জিইয়ে রাখল
    • সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই
    • দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অভিনেতা জোভান, জানালেন সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা
    • বৈরি আবহাওয়া এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় বিসিসিআই
    • গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    19 June, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » বাজেটে অভিযোজন খাতে জলবায়ু ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ বরাদ্দ

    বাজেটে অভিযোজন খাতে জলবায়ু ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ বরাদ্দ

    ReporterBy Reporter19 June, 2026 জাতীয় No Comments4 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    ডেস্ক নিউজ : ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জলবায়ু অভিযোজন খাতে ৩৮ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ। এই বরাদ্দ মোট জলবায়ু-সংক্রান্ত ব্যয়ের ৭৫.২ শতাংশ। বাংলাদেশ জলবায়ু বাজেট প্রতিবেদন ২০২৬-২৭- এ তথ্য উঠে এসেছে।

    এ বরাদ্দের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা এবং বন্যা ব্যবস্থাপনা, পানি সম্পদ উন্নয়ন, উপকূলীয় সুরক্ষা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বিনিয়োগের ওপর সরকারের বিশেষ গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশই অভিযোজন খাতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পাশাপাশি জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অগ্রাধিকার স্পষ্ট হয়েছে।

    অভিযোজন খাতের ব্যয়ের একটি বড় অংশ দেশীয় উৎস থেকে অর্থায়ন করা হচ্ছে। প্রায় ৭০ শতাংশ অভিযোজন প্রকল্প বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছে, যা জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকি কমাতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জলবায়ু ব্যয়ের প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক চালিকাশক্তি। এ তিনটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে দেশের মোট জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের ৫৩ শতাংশের বেশি পরিচালনা করছে, যা অভিযোজনমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাদের কেন্দ্রীয় ভূমিকার ইঙ্গিত দেয়।

    তাদের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকি থেকে জনগণকে সুরক্ষার বিভিন্ন ব্যবস্থা।

    ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট বাজেট রিপোর্ট ২০২৬-২৭’-এর ভূমিকায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জলবায়ু অর্থায়নের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে জলবায়ু ঝুঁকি এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অভিযাত্রা এক বিন্দুতে মিলিত হয়েছে।

    এ প্রেক্ষাপটে জলবায়ু অর্থায়ন শুধু সহায়তার উৎস নয়; বরং এটি সহনশীলতা, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

    অভিযোজনকেন্দ্রিক এ বরাদ্দ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বর্ণিত সরকারের বৃহত্তর নীতিগত অগ্রাধিকারের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন।

    বাজেট বক্তৃতায় তিনি জলবায়ু সহনশীলতা এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনাকে দেশের অন্যতম প্রধান কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, ‘জাতীয় বাজেট ১০টি কৌশলগত অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে জীবন, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই, সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা অন্যতম।’

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’

    অভিযোজন খাতে বরাদ্দ এ নীতিগত লক্ষ্য বাস্তবায়নেরই প্রতিফলন, যেখানে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিশেষ করে বন্যা ব্যবস্থাপনা ও পানি সম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে জলবায়ুজনিত পানিসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা বাড়ে।

    পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অভিযোজন বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সেচ, বন্যা ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, ভূমি পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা নিরসন, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকার প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে।’

    জলবায়ু বাজেটে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ, নদীতীর সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা চলমান উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসও অভিযোজন ব্যয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। প্রতিবেদনে উপকূলীয় সুরক্ষা ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসকে জলবায়ু অর্থায়নের প্রধান খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার লক্ষ্য জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে প্রস্তুতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করা।

    অর্থমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বাজেট বক্তৃতায় বলেন, ‘তাই সরকার টেকসই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে অধিক গুরুত্বারোপ করেছে।’

    অভিযোজন কৌশলের আওতায় জলবায়ুর প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে তারা পরিবেশগত অভিঘাত মোকাবিলা করতে পারে।

    বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, যেখানে জলবায়ুজনিত ঝুঁকি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। উপকূলীয় সুরক্ষায় জলবায়ু বাজেটের অগ্রাধিকার সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য এসব অঞ্চলের মানুষের জীবন, জীবিকা ও অবকাঠামো রক্ষা করা।

    এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব মোকাবিলায় টেকসই বাঁধ, নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প এবং ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’

    বন্যা ব্যবস্থাপনা, পানি সম্পদ, উপকূলীয় সুরক্ষা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি এবং সামাজিক সুরক্ষাকে বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। আর জলবায়ুসংশ্লিষ্ট মোট ব্যয়ের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি অভিযোজন খাতে বরাদ্দ এবং এর বড় অংশ দেশীয় অর্থায়নে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জলবায়ু বাজেট এটাই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

    Reporter

    Keep Reading

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই

    পে স্কেল বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণে কমিটির বৈঠক শেষ, যা জানা গেল

    জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী

    বরাদ্দ ফ্ল্যাটের জন্য সংসদে ওয়াশিং মেশিন-ওভেন চাইলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য

    সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    শ্রীমঙ্গলের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.