Close Menu
    What's Hot

    Betwinner The Ultimate Sports Betting Experience (5)

    13 September, 2026

    ফেডারেশন কাপে একই গ্রুপে বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান

    13 September, 2026

    এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের জবাব অন্য গণমাধ্যমে: কায়কোবাদকে ঘিরে ‘গৃহপালিত সাংবাদিক’ চক্রের অভিযোগ

    12 September, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • Betwinner The Ultimate Sports Betting Experience (5)
    • ফেডারেশন কাপে একই গ্রুপে বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান
    • এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের জবাব অন্য গণমাধ্যমে: কায়কোবাদকে ঘিরে ‘গৃহপালিত সাংবাদিক’ চক্রের অভিযোগ
    • মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ব্রিকসের সঙ্গে কাজ করবে চীন, বললেন শি জিনপিং
    • Ontdek het gemak van een geen CRUKS casino
    • পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ
    • Ontdek het nieuwste online casino in België 555151562
    • Ontdek Online Casino’s Zonder CRUKS Een Nieuwe Spelervaring
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    13 September, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের জবাব অন্য গণমাধ্যমে: কায়কোবাদকে ঘিরে ‘গৃহপালিত সাংবাদিক’ চক্রের অভিযোগ

    এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের জবাব অন্য গণমাধ্যমে: কায়কোবাদকে ঘিরে ‘গৃহপালিত সাংবাদিক’ চক্রের অভিযোগ

    ReporterBy Reporter12 September, 2026 অপরাধ ও দুর্নীতি No Comments8 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চট্টগ্রাম জোন) মো. কায়কোবাদের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্য, প্রকল্পের বিল নিয়ে অনিয়ম, বদলি-পদায়নে প্রভাব বিস্তার, ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি দেশের ১০ থেকে ১২টি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রতিবেদন প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে আরেকটি প্রশ্ন—অভিযোগের জবাব দেওয়ার বদলে কি এখন প্রতিবাদ প্রকাশ করিয়ে সংবাদ সরানোর ‘বাণিজ্য’ শুরু হয়েছে ?

    প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর পর কায়কোবাদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু সেই প্রতিবাদকে ঘিরে আরও গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। কায়কোবাদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, তার কথিত শ্যালক ও সাংবাদিক মোহন চক্রের কথিত মূল হোতা মোহন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সাইট থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলে কায়কোবাদের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

    অভিযোগটি সত্য হলে প্রশ্ন উঠছে—একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে সাংবাদিকতার স্বাভাবিক জবাবদিহি ও আইনি প্রক্রিয়ার বদলে কি কোনো কথিত ‘দালাল সাংবাদিক’ চক্র অর্থের বিনিময়ে সংবাদ সরানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে? আর যদি তা না হয়ে থাকে, তাহলে কায়কোবাদ ঘনিষ্ঠ সূত্রের উত্থাপিত দেড় লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগের ব্যাখ্যা কী ? তবে এসব অভিযোগের কোনোটি এখনো আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রমাণিত হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্তই হতে পারে একমাত্র পথ।
    অভিযোগের জবাব, নাকি ‘প্রতিবাদ-বাণিজ্য’?
    কায়কোবাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো কোনো আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়নি এবং নথি, আর্থিক লেনদেন, সম্পদ বিবরণী ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাচাইয়ের মাধ্যমে অভিযোগের সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
    প্রতিবেদন প্রকাশের পর কায়কোবাদ তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দীর্ঘ একটি প্রতিবাদলিপি দিয়েছেন। তিনি কমিশন গ্রহণ, বিল অনিয়ম, ঠিকাদার সিন্ডিকেট, বদলি-পদায়নে প্রভাব এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদের অভিযোগকে ভিত্তিহীন, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি তার সম্পদ, আয়কর নথি ও সরকারি রেকর্ড যাচাই করারও আহ্বান জানিয়েছেন।
    এখানেই স্বাভাবিক সাংবাদিকতার প্রশ্নটি সামনে আসে—অভিযোগের জবাব দেওয়ার সবচেয়ে কার্যকর পথ যদি নথি ও প্রমাণ উপস্থাপন হয়, তাহলে প্রতিবাদ প্রকাশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নথিগুলো জনসমক্ষে আনা হচ্ছে না কেন ? আরও বড় প্রশ্ন—একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা আইনি প্রতিকার নেওয়ার প্রচলিত পথ বাদ দিয়ে অন্য গণমাধ্যমের সাংবাদিককে দিয়ে সংবাদ সরানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ কেন উঠছে ?

    ‘মোহন চক্র’ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ : কায়কোবাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তার কথিত শ্যালক এবং কথিত ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক মোহন চক্রের মূল হোতা মোহন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে কায়কোবাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ হলেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
    সূত্রটির দাবি, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিবেদন সরিয়ে দেওয়ার কথা বলা এবং এর বিনিময়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। এমনকি সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সরিয়ে দেওয়ার কথা বলে কায়কোবাদের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেছে সূত্রটি।
    অভিযোগটি সত্য হলে এটি নিছক ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় নয়; বরং সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে সংবাদ প্রত্যাহার করানোর বিনিময়ে অর্থ লেনদেনের একটি সম্ভাব্য চক্র নিয়ে তদন্তের প্রশ্ন সামনে আসে। তাহলে মোহনের সঙ্গে কায়কোবাদের সম্পর্ক কী ? মোহন কি সত্যিই তার কথিত শ্যালক ? কোন কোন গণমাধ্যমের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছেন? কোনো প্রতিবেদন সরানোর জন্য অর্থ নিয়েছেন কি না ? নিলে সেই অর্থের পরিমাণ কত ? অর্থের কোনো ব্যাংক বা ডিজিটাল লেনদেনের রেকর্ড রয়েছে কি না ? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার পরিবর্তে সংবাদ থামানোর জন্য এমন কোনো নেপথ্য যোগাযোগ আদৌ হয়েছে কি না ? এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া জরুরি।

    এক পত্রিকার প্রতিবাদ অন্য পত্রিকায়—কেন এই অদ্ভুত কৌশল ? কায়কোবাদের প্রতিবাদলিপিতে অভিযোগ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদে যথাযথ দলিল উপস্থাপন করা হয়নি এবং তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোকে প্রতিবেদন প্রত্যাহার বা সংশোধন করে প্রতিবাদলিপি একই গুরুত্ব ও দৃশ্যমানতার সঙ্গে প্রকাশের অনুরোধ করেছেন। নিজের বক্তব্য প্রকাশের অধিকার অবশ্যই একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির রয়েছে। একই সঙ্গে ভুল সংবাদ হলে সংশোধন বা প্রতিবাদ প্রকাশের সুযোগ থাকাও গণমাধ্যমের স্বাভাবিক নীতির অংশ।

    কিন্তু প্রশ্নটি অন্য জায়গায়।
    যে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে প্রতিবাদ বা সংশোধনের দাবি না তুলে অন্য কোনো পত্রিকা বা নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে বিষয়টি মোকাবিলার চেষ্টা কেন ? আর যদি এর আড়ালে কোনো সাংবাদিককে ব্যবহার করে সংবাদ সরিয়ে দেওয়ার জন্য অর্থ লেনদেনের অভিযোগ থাকে, তাহলে সেটি আরও গুরুতর বিষয়। কারণ সাংবাদিকতার কাজ হলো তথ্য যাচাই করা, সংবাদ প্রকাশ করা এবং ভুল হলে সংশোধন করা। সংবাদ প্রকাশ ঠেকানো বা অর্থের বিনিময়ে সংবাদ গায়েব করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি সাংবাদিকতার দায়িত্ব নয়—অভিযোগ সত্য হলে সেটি সাংবাদিকতার নামে প্রভাব বাণিজ্যের প্রশ্ন তৈরি করে।
    ৪-৫ শতাংশ কমিশনের অভিযোগের উত্তর কোথায়?
    কায়কোবাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, তার দায়িত্বাধীন বিভিন্ন উন্নয়নকাজে ৪ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ই-এম সার্কেল এবং পরবর্তীতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ই-এম সার্কেল-২-এ দায়িত্ব পালনকালে কয়েকটি প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ই-এম বিভাগ-৫ এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কয়েকটি উন্নয়নকাজে প্রকৃত কাজের পরিমাণ ও উত্তোলিত বিলের মধ্যে অসামঞ্জস্যের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
    কায়কোবাদ অবশ্য এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত সহজ—নথি খুলে বসুন। কার্যাদেশ কত ? কাজের পরিমাণ কত ? এমবিতে কী লেখা আছে ? ঠিকাদারকে কত টাকা বিল দেওয়া হয়েছে? পরিমাপ কে করেছেন ? বিল কে অনুমোদন করেছেন ? অর্থ ছাড়ের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কারা ছিলেন ? একই ঠিকাদার বারবার কাজ পেয়েছে কি না ? এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তেই পাওয়া সম্ভব।

    ‘ক্যাশিয়ার’ পরিচিতির নেপথ্যে কী ? কায়কোবাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলমের সময় তিনি দপ্তরের আর্থিক বিষয় তদারকির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন এবং তখন গণপূর্তের অভ্যন্তরে তার একটি বিশেষ পরিচিতি—‘ক্যাশিয়ার’—তৈরি হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ দাবি করেন। পরবর্তীতে প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর সময়ও তিনি প্রভাব ধরে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ‘ক্যাশিয়ার’ পরিচিতি বাস্তব, নাকি নিছক অভ্যন্তরীণ রটনা—তা যাচাই করা কঠিন নয়। সংশ্লিষ্ট সময়ের দাপ্তরিক ফাইল, দায়িত্ব বণ্টন, আর্থিক অনুমোদন, নোটশিট এবং কর্মকর্তাদের যোগাযোগের ধরন পরীক্ষা করলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে।

    সম্পদের হিসাবেও উঠেছে বড় প্রশ্ন : কায়কোবাদের কথিত সম্পদ নিয়েও প্রকাশিত প্রতিবেদনে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ঢাকার মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে তার কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। ধামরাইয়ে প্রায় ১০ তলা একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলমান থাকার কথাও বলা হয়েছে।
    এ ছাড়া শেরপুরে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে বা কথিত বেনামি মালিকানায় জমি ও অন্যান্য সম্পদ থাকার দাবি এবং পরিবারের ব্যবহারের জন্য দামি গাড়ি থাকার কথাও অভিযোগে এসেছে। কায়কোবাদ এসব সম্পদের তথ্য যথাযথভাবে যাচাই না করেই প্রকাশ করা হয়েছে বলে প্রতিবাদে দাবি করেছেন এবং তার বৈধ আয়, সম্পদ বিবরণী ও আয়কর নথি যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন। তাহলে তদন্ত হোক। তার সম্পদ বিবরণী, আয়কর রিটার্ন, ব্যাংক হিসাব, ঋণ, বিনিয়োগ, জমি-ফ্ল্যাটের দলিল এবং পরিবারের নামে থাকা সম্পদের তথ্য যাচাই করা হোক। বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য থাকলে অভিযোগকারীদের মুখ বন্ধ হবে; আর অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে তদন্তকারী সংস্থার সামনে পরবর্তী প্রশ্ন উঠবে।

    ঠিকাদার সিন্ডিকেটের অভিযোগও নথিতে যাচাইযোগ্য : প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, কায়কোবাদের দায়িত্বকালে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারগোষ্ঠী প্রকল্প, বিল অনুমোদন, পরিমাপ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে সুবিধা পেয়েছে।
    এ অভিযোগও অনুমাননির্ভর রেখে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
    তার দায়িত্ব পালনকালের প্রকল্পগুলোতে অংশ নেওয়া সব ঠিকাদারের তালিকা তৈরি করা হোক। কে কতবার কাজ পেয়েছে, দরপত্রে কারা অংশ নিয়েছে, প্রতিযোগিতা কতটা ছিল, একই মালিকানার প্রতিষ্ঠান ভিন্ন নামে অংশ নিয়েছে কি না—সবকিছু যাচাই করা হোক। তদন্তই যদি নিরপেক্ষ হয়, তাহলে কারও ভয় পাওয়ার কারণ থাকার কথা নয়। ‘প্রতিবাদ’ দিয়ে অভিযোগ মুছে ফেলা যায় না
    কায়কোবাদ তার প্রতিবাদে বলেছেন, প্রমাণ ছাড়া গুরুতর অভিযোগ প্রচার গ্রহণযোগ্য নয় এবং তিনি যেকোনো আইনানুগ তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এ বক্তব্যকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি প্রশ্ন হলো—তাহলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি বাস্তবায়নে আপত্তি কোথায়?
    একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি কমিশন বাণিজ্য, বিল অনিয়ম, বদলি-পদায়নে প্রভাব, ঠিকাদার সিন্ডিকেট এবং সম্পদের অসামঞ্জস্যের মতো অভিযোগ ওঠে, তাহলে প্রতিবাদলিপি দিয়ে বিষয়টি শেষ করার চেয়ে নথিভিত্তিক তদন্ত হওয়াই সবচেয়ে স্বচ্ছ পথ। আর সেই তদন্তের আগেই যদি কথিত সাংবাদিক চক্র সংবাদ সরানোর নামে অর্থ দাবি করে থাকে, তাহলে সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আসা উচিত।

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-সচিবের প্রতি প্রশ্ন : গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের প্রতি এখন সংশ্লিষ্ট মহলের সরাসরি প্রশ্ন—কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কি সত্যিই স্বাধীনভাবে যাচাই করা হবে?
    শুধু কায়কোবাদ নন, অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে যাদের নাম বা ভূমিকা সামনে আসে, তাদেরও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা সংস্থা এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে নথিভিত্তিক অনুসন্ধান হতে পারে। বিশেষ করে— কায়কোবাদের সম্পদ বিবরণী ও আয়কর নথি,ব্যাংক ও বিনিয়োগের তথ্য, ফ্ল্যাট, জমি ও ভবনের মালিকানা, দায়িত্ব পালনকালের প্রকল্প ও বিল, এমবি, কার্যাদেশ ও বিল-ভাউচার, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের তালিকা; বদলি-পদায়নের ফাইল, অভিযোগে উল্লিখিত মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নথি, এবং সাংবাদিক মোহনের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ নেওয়া ও সংবাদ সরানোর কথিত অভিযোগ— সবকিছু আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

    শেষ কথা -‘বলয়’ যত শক্তিশালীই হোক, নথির সামনে তার পরীক্ষা হতেই হবে : গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কোনো কর্মকর্তাকে ঘিরে এত বিস্তৃত অভিযোগ ওঠা এবং একই সঙ্গে অভিযোগের পর প্রতিবাদ প্রকাশ ও সংবাদ সরানোর কথিত তৎপরতার অভিযোগ—দুটিই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।
    কায়কোবাদ যদি অভিযোগগুলোতে সম্পূর্ণ নির্দোষ হন, তাহলে নিরপেক্ষ তদন্তই তার সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। আর অভিযোগ সত্য হলে দায় শুধু একজন কর্মকর্তার নয়—তার সঙ্গে যুক্ত সম্ভাব্য ঠিকাদার, মধ্যস্থতাকারী, প্রশাসনিক সহযোগী কিংবা সুবিধাভোগীদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আর সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে কেউ যদি সত্যিই অর্থের বিনিময়ে সংবাদ সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, সেটিও তদন্তের বাইরে থাকার কোনো কারণ নেই। কারণ প্রতিবাদ প্রকাশ করা অধিকার; কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের বদলে সংবাদ ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা—অভিযোগ সত্য হলে সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। এখন দেখার বিষয়, কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কি প্রতিবাদের কাগজেই থেমে যাবে, নাকি খুলবে প্রকল্পের ফাইল, সম্পদের হিসাব, বিল-ভাউচার ও প্রশাসনিক নথি ? আর কথিত ‘মোহন চক্র’ যদি সত্যিই সংবাদ সরানোর নামে অর্থ নিয়ে থাকে, তাহলে সেই অর্থের হিসাবও কি বের করা হবে ? গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে এখন মূল প্রশ্ন একটাই—প্রতিবাদের ভাষা নয়, নথির ভাষায় কি হবে কায়কোবাদের জবাব ?

    Reporter

    Keep Reading

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    রাজধানীতে পুলিশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৭৭

    ঢাকা কাস্টমস বন্ড উত্তরে ঘুষের অভিযোগ, কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন

    ‘মিস্টার ৫%’ আবুল খায়েরকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ : প্রধান প্রকৌশলীর পদ দখলে মরিয়া, শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ-দৃষ্টি আকর্ষণ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের !

    নড়াইলে ধর্ষণ মামলায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন

    পাঁচ কাঠা জমির দখল কার? দুই ভাইয়ের বিরোধে সামনে আসছে নানা প্রশ্ন

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.