Close Menu
    What's Hot

    ‘সময় হলেই জানতে পারবেন’, ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখলেন ট্রাম্প

    5 May, 2026

    দুর্যোগকালীন রোগীর সেবা নিশ্চিত করতে ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ করছে সরকার

    5 May, 2026

    ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে সুশাসন, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা : প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

    5 May, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • ‘সময় হলেই জানতে পারবেন’, ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখলেন ট্রাম্প
    • দুর্যোগকালীন রোগীর সেবা নিশ্চিত করতে ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ করছে সরকার
    • ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে সুশাসন, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা : প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
    • বিনা মূল্যে মিরপুর টেস্ট দেখতে পারবে শিক্ষার্থী ও একাডেমির ক্রিকেটাররা
    • ‘রকস্টার’–এর টিজারে এ কোন শাকিব
    • আমার মৃত্যুর বিষয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়ানো হচ্ছে: রুনা লায়লা
    • নুসরাত তাবাসসুমকে এমপি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ
    • হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে একাধিকবার অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    6 May, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে সুশাসন, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা : প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

    ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে সুশাসন, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা : প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

    ReporterBy Reporter5 May, 2026 জাতীয় No Comments3 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    ডেস্ক নিউজ : সুশাসন, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম (অব.)।

    তিনি ‘সরকারের সব অংশের সমন্বিত উদ্যোগ’ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সিভিল প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত প্রয়াসই জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পূর্বশর্ত। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনে এই কৌশলের বাস্তবায়ন অপরিহার্য।’

    মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

    বক্তব্যের শুরুতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনে নিহত ছাত্র-জনতাকেও স্মরণ করেন, যাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

    তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলন দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ সম্মেলনের দিকনির্দেশনা মাঠপর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে জনগণের সেবা আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে। দেশের উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণ নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসকদের নিরলস পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধ প্রশংসনীয়।

    প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, একটি আধুনিক, আত্মমর্যাদাশীল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় নিরাপত্তা, সুশাসন এবং কার্যকর প্রশাসনিক সমন্বয় অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সংশ্লিষ্ট আলোচনায় ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। বাহিনী প্রধানগণও তাদের বক্তব্যে নিজ নিজ বাহিনীর অবস্থান এবং মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়ে প্রত্যাশা তুলে ধরেন।

    সিভিল-মিলিটারি সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি সুদৃঢ় সিভিল-মিলিটারি সম্পর্ক দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এই সম্পর্কের গভীর শিকড় নিহিত রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, যিনি একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, তার ঘোষণার মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জনগণের বাহিনী হিসাবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় সহযোগিতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আজও প্রকৃত অর্থেই জনমানুষের বাহিনী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত রেখেছে, যা দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তারা বারবার প্রমাণ করেছে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগে দ্রুত সহায়তা প্রদান করে সশস্ত্র বাহিনী জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে যে ঐতিহাসিক বন্ধন সৃষ্টি হয়েছিল, তা আজও অটুট রয়েছে এবং জাতীয় অগ্রযাত্রায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সবসময়ই বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিজেদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে আসছে। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে, যখন সরকারের অনেক প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিল, তখন সশস্ত্র বাহিনী মাসের পর মাস দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করেছে। সুপ্রিম কোর্ট, সচিবালয়, ব্যাংক, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় সার্বক্ষণিক উপস্থিতি বজায় রেখে তারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জননিরাপত্তা সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জেলা প্রশাসকদের প্রতি পেশাদারিত্ব, সততা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জনগণের কল্যাণে নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকগণ গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন।

    তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ, স্থিতিশীল, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুদৃঢ়, আধুনিক ও সমন্বিত জাতীয় কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর দর্শন-‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ মনে-প্রাণে ধারণ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    Reporter

    Keep Reading

    দুর্যোগকালীন রোগীর সেবা নিশ্চিত করতে ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ করছে সরকার

    নুসরাত তাবাসসুমকে এমপি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ

    হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে একাধিকবার অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ

    সৌদি আরবে আরও ২ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

    এক শর্তে দীর্ঘক্ষণ মার্কেট খোলা রাখতে মন্ত্রণালয়ে আবেদন

    প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে আজ চীন যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    Your source for the serious news. This demo is crafted specifically to exhibit the use of the theme as a news site. Visit our main page for more demos.

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1819044472
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.