
শহিদুল হককে ঘিরে তালতলী বিএনপিতে নতুন করে দ্বন্দ্ব, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ প্রশাসনের1: থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে শহিদুল হক বিভিন্ন সময়ে দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার কথিত সমঝোতা ছিল।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং অভিযোগকারীদের দাবির সমর্থনে কোনো নথি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এই প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।
পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক সদস্যসচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের বক্তব্য এবং এর জবাবে শহিদুল হকের সাংবাদিক সম্মেলনের পর তালতলী উপজেলা বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ আরও প্রকাশ্য হয়েছে। দুই পক্ষের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পরিস্থিতির গুরুত্বকেও সামনে এনেছে।
শহিদুল হকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তার বিস্তারিত বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। একইভাবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে বরগুনা জেলা বিএনপির আনুষ্ঠানিক অবস্থানও জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
বর্তমানে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগকে কেন্দ্র করে তালতলী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে দলীয় ও প্রশাসনিক পর্যায়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়—সেদিকেই নজর স্থানীয় নেতাকর্মী শহিদুল হককে ঘিরে তালতলী বিএনপিতে নতুন করে দ্বন্দ্ব, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ প্রশাসনের1: থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে শহিদুল হক বিভিন্ন সময়ে দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার কথিত সমঝোতা ছিল।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং অভিযোগকারীদের দাবির সমর্থনে কোনো নথি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এই প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।
পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক সদস্যসচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের বক্তব্য এবং এর জবাবে শহিদুল হকের সাংবাদিক সম্মেলনের পর তালতলী উপজেলা বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ আরও প্রকাশ্য হয়েছে। দুই পক্ষের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পরিস্থিতির গুরুত্বকেও সামনে এনেছে।
শহিদুল হকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তার বিস্তারিত বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। একইভাবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে বরগুনা জেলা বিএনপির আনুষ্ঠানিক অবস্থানও জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
বর্তমানে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগকে কেন্দ্র করে তালতলী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে দলীয় ও প্রশাসনিক পর্যায়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়—সেদিকেই নজর স্থানীয় নেতাকর্মীদের।

